Archive | January 2016

কোথা বাইরে দূরে যায় রে উড়ে/ Kotha Bairey Duurey Jaay Re Urey/Where do they go, flying from me, alas

কোথা       বাইরে দূরে  যায় রে উড়ে  হায় রে হায়,

তোমার     চপল আঁখি  বনের পাখি  বনে পালায়॥

ওগো,       হৃদয়ে যবে  মোহন রবে  বাজবে বাঁশি

তখন        আপনি সেধে  ফিরবে কেঁদে,  পরবে ফাঁসি–

তখন        ঘুচবে ত্বরা,  ঘুরিয়া মরা  হেথা হোথায়।

আহা,       আজি সে আঁখি  বনের পাখি  বনে পালায়॥

চেয়ে        দেখিস না রে  হৃদয়দ্বারে  কে আসে যায়,

তোরা       শুনিস কানে  বারতা আনে  দখিন বায়।

আজি        ফুলের বাসে  সুখের হাসে  আকুল গানে

চির          বসন্ত যে  তোমারি খোঁজে  এসেছে প্রাণে,

তারে        বাহিরে খুঁজি  ফিরিছ বুঝি  পাগলপ্রায়–

আহা        আজি সে আঁখি  বনের পাখি  বনে পালায়॥

রাগ: খাম্বাজ

তাল: ঝম্পক

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1317

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1910

স্বরলিপিকার: অনাদিকুমার দস্তিদার

 

Follow the links to hear:

Debabrata Biswas:

Lopamudra Mitra:

 

 

Where do they go, flying from me, alas!

Your quick eyes that hasten like birds to the forest alas!

But when within my heart the flute sounds a beautiful tune

They will return on their own, and submit in tears –

And then will cease this endless rush, this wandering alas.

Sigh, those eyes still hasten to the forest like birds to the nest, alas!

You do not see who comes and goes at your heart’s threshold,

You only hear what the south wind tells you of the world outside.

In the scent of flowers, in blissful smiles and songs of yearning

Eternal spring comes seeking just you within my soul,

While you sought it feverish with need everywhere else-

Sigh, those eyes still hasten to the forest like birds to the nest, alas.

 

Raga: Khamaj

Beat: Jhampak

Written: 1910

Score: Anadikumar Dastidar

 

Advertisements

সন্ধ্যাসংগীত:উপহার/Shondhya Shongeet: Upohaar/ Songs of the Evening: The Gift.

উপহার

 

ভুলে গেছি কবে তুমি    ছেলেবেলা একদিন

মরমের কাছে এসেছিলে,

স্নেহময় ছায়াময়                  সন্ধ্যাসম আঁখি মেলি

একবার বুঝি হেসেছিলে।

বুঝি গো সন্ধ্যার কাছে শিখেছে সন্ধ্যার মায়া

ওই আঁখি দুটি–

চাহিলে হৃদয়পানে                 মরমেতে পড়ে ছায়া,

তারা উঠে ফুটি।

আগে কে জানিত বলো কত কী লুকানো ছিল

হৃদয়নিভৃতে,

তোমার নয়ন দিয়া                 আমার নিজের হিয়া

পাইনু দেখিতে।

কখনো গাও নি তুমি     কেবল নীরবে রহি

শিখায়েছ গান–

স্বপ্নময় শান্তিময়          পূরবীরাগিনী-তানে

বাঁধিয়াছ প্রাণ।

আকাশের পানে চাই, সেই সুরে গান গাই

একেলা বসিয়া।

একে একে সুরগুলি, অনন্তে হারায়ে যায়

আঁধারে পশিয়া।

বলো দেখি কতদিন     আস নি এ শূন্য প্রাণে।

বলো দেখি কতদিন      চাও নি হৃদয়পানে,

বলো দেখি কতদিন      শোনো নি এ মোর গান–

তবে সখী গান-গাওয়া    হল বুঝি অবসান।

যে রাগ শিখায়েছিলে    সে কি আমি গেছি ভুলে?

তার সাথে মিলিছে না সুর?

তাই কি আস না প্রাণে,    তাই কি শোন না গান–

তাই সখী, রয়েছ কি দূর?

ভালো সখী, আবার শিখাও,

আরবার মুখপানে চাও,

একবার ফেলো অশ্রুজল,

আঁখিপানে দুটি আঁখি তুলি।

তা হলে পুরানো সুর                আবার পড়িবে মনে,

আর কভু যাইব না ভুলি।

সেই পুরাতন চোখে               মাঝে মাঝে চেয়ো সখী,

উজলিয়া স্মৃতির মন্দির।

এই পুরাতন প্রাণে                 মাঝে মাঝে এসো সখী,

শূন্য আছে প্রাণের কুটির।

নহিলে আঁধার মেঘরাশি

হৃদয়ের আলোক নিবাবে,

একে একে ভুলে যাব সুর,

গান গাওয়া সাঙ্গ হয়ে যাবে।

***

THE GIFT

 

I have long forgotten when one day in my youth

You came close to my soul,

Your eyes filled with compassion and evening shade

Perhaps you smiled but once.

I suppose they learnt to shelter with their gaze from evening itself

Those two eyes –

They look inwards and draw a calm repose upon the soul,

Starlight begins to glow.

Who would have known how much was once kept from the world

Within the recesses of the heart,

With your eyes                 my own heart

I see clearly.

Never did you speak once     but in silence

You still gave me song.

Filled with dreams and peace to the strains of Purabi

You have tuned my soul.

I look to the skies and sing to that tune

Alone.

One by one the tunes, are lost into the infinite

Once they enter that darkness.

Tell me how it has been since you have not been to this empty heart.

And how long it has been that you have not looked at this heart,

Tell me how long you have not heard me sing –

But then perhaps I am done with my song.

Have I forgotten that tune you taught?

Does my song not ring true?

Is that why you no longer visit my heart, is that why you listen no more –

Is that why you remain afar?

Then I ask you, teach me once more,

Look upon me once again,

Shed tears once,

As you raise your eyes once more to mine.

Then that old song I will recall once more,

And never lose again.

Look upon me with the eyes of our past

Brightening the altar of memories.

To this old soul too, come when you can

This heart lies empty.

Or else the dark clouds

Will blow out the light within,

And I will forget each tune,

Silenced will be my days of song.
To hear the Raga Purvi:

 

 

হাস্যকৌতুকঃ ছাত্রের পরীক্ষা/Cchatrer Porikkha/ An examination

ছাত্রের পরীক্ষা

 

 

ছাত্র শ্রীমধুসূদন

 

শ্রীযুক্ত কালাচাঁদ মাস্টার পড়াইতেছেন

 

অভিভাবকের প্রবেশ

 

অভিভাবক।

মধুসূদন পড়াশুনো কেমন করছে কালাচাঁদবাবু?

 

কালাচাঁদ।

আজ্ঞে, মধুসূদন অত্যন্ত দুষ্ট বটে, কিন্তু পড়াশুনোয় খুব মজবুত। কখনো একবার বৈ দুবার বলে দিতে হয় না। যেটি আমি একবার পড়িয়ে দিয়েছি সেটি কখনো ভোলে না।

 

অভিভাবক।

বটে! তা, আমি আজ একবার পরীক্ষা করে দেখব।

 

কালাচাঁদ।

তা , দেখুন-না।

 

মধুসূদন।

(স্বগত) কাল মাস্টারমশায় এমন মার মেরেছেন যে আজও পিঠ চচ্চড় করছে। আজ এর শোধ তুলব। ওঁকে আমি তাড়াব।

 

অভিভাবক।

কেমন রে মোধো, পুরোনো পড়া সব মনে আছে তো?

 

মধুসূদন।

মাস্টারমশায় যা বলে দিয়েছেন তা সব মনে আছে।

 

অভিভাবক।

আচ্ছা, উদ্ভিদ্‌ কাকে বলে বল্‌ দেখি।

 

মধুসূদন।

যা মাটি ফুঁড়ে ওঠে।

 

অভিভাবক।

একটা উদাহরণ দে।

 

মধুসূদন।

কেঁচো!

 

কালাচাঁদ।

(চোখ রাঙাইয়া ) অ্যাঁ! কী বললি!

 

অভিভাবক।

রসুন মশায়, এখন কিছু বলবেন না।

 

মধুসূদনের প্রতি

 

তুমি তো পদ্যপাঠ পড়েছ; আচ্ছা, কাননে কী ফোটে বলো দেখি?

 

মধুসূদন।

কাঁটা।

 

কালাচাঁদের বেত্র-আস্ফালন

 

কী মশায়, মারেন কেন? আমি কি মিথ্যে কথা বলছি?

 

অভিভাবক।

আচ্ছা, সিরাজউদ্দৌলাকে কে কেটেছে? ইতিহাসে কী বলে?

 

মধুসূদন।

পোকায়।

 

বেত্রাঘাত

 

আজ্ঞে, মিছিমিছি মার খেয়ে মরছি– শুধু সিরাজউদ্দৌলা কেন, সমস্ত ইতিহাসখানাই পোকায় কেটেছে! এই দেখুন।

 

প্রদর্শন।

কালাচাঁদ মাস্টারের মাথা-চুলকায়ন

 

অভিভাবক।

ব্যাকরণ মনে আছে?

 

মধুসূদন।

আছে।

 

অভিভাবক।

“কর্তা’ কী, তার একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দাও দেখি।

 

মধুসূদন।

আজ্ঞে, কর্তা ওপাড়ার জয়মুন্‌শি।

 

অভিভাবক।

কেন বলো দেখি।

 

মধুসূদন।

তিনি ক্রিয়া-কর্ম নিয়ে থাকেন।

 

কালাচাঁদ।

(সরোষে) তোমার মাথা!

 

পৃষ্ঠে বেত্র

 

মধুসূদন।

(চমকিয়া) আজ্ঞে, মাথা নয়, ওটা পিঠ।

 

অভিভাবক।

ষষ্ঠী-তৎপুরুষ কাকে বলে?

 

মধুসুদন।

জানি নে।

 

কালাচাঁদবাবুর বেত্র-দর্শায়ন

 

মধুসদন।

ওটা বিলক্ষণ জানি– ওটা যষ্টি-তৎপুরুষ।

 

অভিভাবকের হাস্য এবং কালাচাঁদবাবুর তদ্‌বিপরীত ভাব

 

অভিভাবক।

অঙ্কশিক্ষা হয়েছে?

 

মধুসূদন।

হয়েছে।

 

অভিভাবক।

আচ্ছা, তোমাকে সাড়ে ছ’টা সন্দেশ দিয়ে বলে দেওয়া হয়েছে যে,পাঁচ মিনিট সন্দেশ খেয়ে যতটা সন্দেশ বাকি থাকবে তোমার ছোটো ভাইকে দিতে হবে। একটা সন্দেশ খেতে তোমার দু-মিনিট লাগে, কটা সন্দেশ তুমি তোমার ভাইকে দেবে?

 

মধুসূদন।

একটাও নয়।

 

কালাচাঁদ।

কেমন করে।

 

মধুসূদন।

সবগুলো খেয়ে ফেলব। দিতে পারব না।

 

অভিভাবক।

আচ্ছা, একটা বটগাছ যদি প্রত্যহ সিকি ইঞ্চি করে উঁচু হয় তবে যে বট এ বৈশাখ মাসের পয়লা দশ ইঞ্চি ছিল ফিরে বৈশাখ মাসের পয়লা সে কতটা উঁচু হবে?

 

মধুসূদন।

যদি সে গাছ বেঁকে যায় তা হলে ঠিক বলতে পারি নে, যদি বরাবর সিধে ওঠে তা হলে মেপে দেখলেই ঠাহর হবে, আর যদি ইতিমধ্যে শুকিয়ে যায় তা হলে তো কথাই নেই।

 

কালাচাঁদ।

মার না খেলে তোমার বুদ্ধি খোলে না! লক্ষ্মীছাড়া, মেরে তোমার পিঠ লাল করব, তবে তুমি সিধে হবে!

 

মধুসূদন।

আজ্ঞে, মারের চোটে খুব সিধে জিনিসও বেঁকে যায়।

 

অভিভাবক।

কালাচাঁদবাবু, ওটা আপনার ভ্রম। মারপিট করে খুব অল্প কাজই হয়। কথা আছে গাধাকে পিটোলে ঘোড়া হয় না, কিন্তু অনেক সময়ে ঘোড়াকে পিটোলে গাধা হয়ে যায়। অধিকাংশ ছেলে শিখতে পারে, কিন্তু অধিকাংশ মাস্টার শেখাতে পারে না। কিন্তু মার খেয়ে মরে ছেলেটাই। আপনি আপনার বেত নিয়ে প্রস্থান করুন, দিনকতক মধুসূদনের পিঠ জুড়োক, তার পরে আমিই ওকে পড়াব।

 

মধুসূদন।

( স্বগত) আঃ, বাঁচা গেল।

 

কালাচাঁদ।

বাঁচা গেল মশায়! এ ছেলেকে পড়ানো মজুরের কর্ম, কেবলমাত্র ম্যানুয়েল লেবার। ত্রিশ দিন একটা ছেলেকে কুপিয়ে আমি পাঁচটি মাত্র টাকা পাই, সেই মেহনতে মাটি কোপাতে পারলে দিনে দশটা টাকাও হয়।

***

AN EXAMINATION

The student: Madhu

The teacher: Kalachand

 

Madhu’s guardian enters the room.

 

Guardian: How is he doing in his studies Mr. Kalachand?

Kalachand: Despite being very naughty he is very good at his studies. One does not have to repeat things to him at all. He remembers everything after I say it to him once.

Guardian: Really! Let me test his aptitude today for myself.

Kalachand: Of course, go ahead.

Madhusudan to himself: (You hit me so hard yesterday that my back still hurts. I will take revenge today. I will get rid of you!)

Guardian: So my boy, you remember all the previous lessons?

Madhu: I remember everything the teacher said to me.

 

Guardian: Okay, tell me then what a plant is.

Madhu: Things that emerge from the ground.

Guardian: Give me an example.

Madhu: A worm.

 

Kalachand: What! What are you saying? (visibly angry)

Guardian: Wait, do not interrupt now.

To Madhu: You have read the poetry book; tell me, what pops up in the garden?

Madhu: Thorns. (Upon hearing this the teacher strikes him with his cane.)

Madhu: Why are you hitting me sir? Am I lying?

Guardian: Now, what felled Sirajuddaulah? What does history tell us?

Madhu: Insects. (Swishing of the cane)

Excuse me, you strike me without reason – why just Sirajuddaulah, all the chapters have been eaten up by silverfish. See?

He shows the pages. The teacher scratches his head.

Guardian: Do you remember your grammar?

Madhu: Yes.

Guardian: Give an example and explain the idea of subject or ‘karta

Madhu: Please, that must be our neighbour Joy Munshi.

Guardian: Why is that?

 

Madhu: He does all the work.

 

Kalachand, angrily: You fat head!

(Hits him on the back)

Madhu: But sir! That is not my head, that is my back.

Guardian: What is ‘Shashthi Tatpurush’?

Madhu: I do not know.

 

Kalachand shows him the cane again.

Madhu: I know that  very well. It is a stick without a carrot.

His guardian smiles while the teacher scowls.

Guardian: Have you studied mathematics?

Madhu: I have.

Guardian: Well, imagine you are given six and a half cakes and are told to eat cake for five minutes and then give the remainder to your younger brother. You can eat one cake in two minutes, how many cakes will you give your brother?

 

Madhu: None.

Kalachand: But how?

 

Madhu: I will eat all of them. I won’t give him any.

Guardian: If a tree grows a quarter of an inch each day then how tall will a ten inch tree be in the period from Baishakh this year till Baishakh next year.

Madhu: If the tree bends, I cannot say and if it grows straight we will be able to measure it and tell how much it grew. Of course, if it dies then there is no mathematics in this at all.

Kalachand: I can see you will smarten up without a couple of licks of the switch! Stupid fool, I will give you such a thrashing I will straighten you out for good!

 

Madhu: Excuse me, sometimes beatings can make straight stuff crooked.

Guardian: Kalachand, that is your mistake. Very little can be achieved by thrashings. It is said that one cannot turn a donkey into a horse by hitting it but the converse is often true as well; a horse can be turned into a donkey with ill treatment. Most children are able to learn easily but most teachers do not know how to teach. You may take your cane and depart; I will let Madhu’s back heal and then begin teaching him myself.

Madhusudan to himself: Good riddance!

 

Kalachand: Thank God! Teaching is pure drudgery, like manual labour! I get so little after thirty days of teaching one boy, I could easily get double that each day if I dug holes for a living.

 

আমি সন্ধ্যাদীপের শিখা/ Aami shondhyadeeper shikha/I am the flame that burns in the evening lamp light

আমি   সন্ধ্যাদীপের শিখা,

          অন্ধকারের ললাট-মাঝে পরানু রাজটিকা ॥

তার         স্বপনে মোর আলোর পরশ   জাগিয়ে দিল গোপন হরষ,

              অন্তরে তার রইল আমার প্রথম প্রেমের লিখা ॥

                   আমার   নির্জন উৎসবে

              অম্বরতল হয় নি উতল পাখির কলরবে।

যখন    তরুণ রবির চরণ লেগে   নিখিল ভুবন উঠবে জেগে

              তখন আমি মিলিয়ে যাব ক্ষণিক মরীচিকা ॥

রাগ: ইমনকল্যাণ
তাল: দাদরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৭ পৌষ, ১৩৩০
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২ জানুয়ারি, ১৯২৪
রচনাস্থান: শ্রীনিকেতন
স্বরলিপিকার: অনাদিকুমার দস্তিদার

tagore in Russia

I am the flame that burns in the evening lamp light

         My presence like a victory mark upon the forehead of darkened night

My luminous touch within its dreams a secret joy awakens,

             In its soul the tales of my first love are written.

                  In the midst of my solitary celebration

          The skies did not exult, nor birds sing in unison.

When the young sun steps out and the world wakes from its slumber 

            I will then fade away, as though a mirage no one will remember.

Raga: Yaman Kalyan
Beat: Dadra
Written on: 17th Poush, 1330
Written n: 2nd January, 1924
Written at: Sriniketan
Score: Anadi Kumar Dastidar

To listen follow the link:
Debabrata Biswas:

 

যখন এসেছিলে অন্ধকারে/Jawkhon Eshechiley/ When you came, twas all darkness

যখন    এসেছিলে অন্ধকারে

              চাঁদ ওঠে নি সিন্ধুপারে॥

হে অজানা, তোমায় তবে   জেনেছিলেম অনুভবে–

গানে তোমার পরশখানি বেজেছিল প্রাণের তারে॥

         তুমি    গেলে যখন একলা চলে

              চাঁদ উঠেছে রাতের কোলে।

তখন দেখি, পথের কাছে   মালা তোমার পড়ে আছে–

বুঝেছিলেম অনুমানে এ কণ্ঠহার দিলে কারে॥

 

রাগ: পিলু-বারোয়াঁ
তাল: তেওরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৬ পৌষ, ১৩৩০
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১ জানুয়ারি, ১৯২৪
রচনাস্থান: শ্রীনিকেতন

***

 

When you came, twas all darkness

              The moon had not risen by the sea.

Oh mysterious one, I knew you then only with my heart-

Your touch resonating through my soul as song.

         When you went away on your own

             The moon had risen to sit upon night’s lap.

What should I see, but your garland by the roadside –

 I knew then without being told for whom you had left that precious gift.

 

Raga: Pilu Barwa
Beat: Teora
Written: 16th Poush, 1330; January 1, 1924
Written at: Sriniketan

Follow the links:
Sharmila Roy Pommot: (Will need to click on Youtube option to listen)

Suchitra Mitra: