Archive | January 2012

Reminiscing about Shantiniketan

In the 1950s, Shantiniketan was a magnet for students from across India as a result of the enlightened atmosphere it provided. This is a story I heard from both Dr Prithvindranath Chakravarti and Dr Chittapriya Mukherji, the son of Rabindranath Tagore’s biographer, Sri Prabhat Kumar Mukherji, on separate occasions. Both men spent their formative years in Shantiniketan during a time while Tagore was alive.

Along with Dr Mukherji’s elder brother, Sri Supriya Mukherji, they had formed a friendship with a visiting Gujarati student. Having arrived in Shantiniketan as a strict vegetarian, this student, whom we shall refer to as Sri G, proceeded to assimilate with all aspects of Bengali life. He started eating the occasional omelette, soon graduating to fish and then to meat. In fact, his liking for meat grew to the extent that he soon decided to procure his own ingredients. He made friends with the famous science fiction writer, Sri Jagadananda Ray, who was then the Sarvadhyaksha at the school, quickly earning the right to borrow Sri Ray’s ancient gun by promising him specimens of wild fowl and birds. He often disappeared on hunting trips to the Sal forests that covered large areas around Shantiniketan and Bolpur at the time, coming back with braces of mallard ducks and jungle fowl.

On one occasion, he invited a group of friends, including the two Mukherji brothers and Dr Chakravarti after a particularly successful hunt.

After the wonderful meal, the guests were feeling generous towards the world at large and their host in particular. The servings had been very ample and one of the young men asked Sri G, whether he would be able to go along on the next trip to the jungle. Sri G proudly declared that he was a good hunter, but these had been very easy targets, as they sat drowsily on the ground, wings held aloft, refusing to budge even when he fired into their group. He also remarked that they were rather repulsive to look at. A collective hush fell over the guests. Where had he found these birds, someone asked quietly. On the road to Barddhaman, came the reply. This was enough to make them realise that they had just feasted on vulture! The birds lived in a waste dump where carcasses of large animals such as cattle were disposed of. Sri G had unknowingly fed them vulture meat!

গান্ধারীর আবেদন/Gandharir Abedon/Gandhari’s Supplication

ধৃতরাষ্ট্র । ধিক্‌ তোর ভ্রাতৃদ্রোহ ।
পাণ্ডবের কৌরবের এক পিতামহ
সে কি ভুলে গেলি ?

দুর্যোধন । ভুলিতে পারি নে সে যে —
এক পিতামহ , তবু ধনে মানে তেজে
এক নহি । যদি হত দূরবর্তী পর
নাহি ছিল ক্ষোভ ; শর্বরীর শশধর
মধ্যাহ্নের তপনেরে দ্বেষ নাহি করে ,
কিন্তু প্রাতে এক পূর্ব-উদয়শিখরে
দুই ভ্রাতৃসূর্যলোক কিছুতে না ধরে ।
আজ দ্বন্দ্ব ঘুচিয়াছে , আজি আমি জয়ী ,
আজি আমি একা ।
Dhritarashtra: Shame on your hatred for your brothers!
Have you forgotten that the Pandavas and the Kauravas had
the same grandfather?*

Duryodhana: That is what I cannot forget —
One grandfather yet unequal in every aspect
In wealth, in fame and in prowess!
If they were but distant, there would have been no anger.
The pale moon does not envy the brilliance of the sun in
The mid day sky;
But two suns will never share the honor of crowning the
Eastern horizon at dawn.
Today there is no more conflict, today I am victorious,
Today I stand alone.
ধৃতরাষ্ট্র । ক্ষুদ্র ঈর্ষা! বিষময়ী

দুর্যোধন । ক্ষুদ্র নহে , ঈর্ষা সুমহতী ।
ঈর্ষা বৃহতের ধর্ম । দুই বনস্পতি
মধ্যে রাখে ব্যবধান ; লক্ষ লক্ষ তৃণ
একত্রে মিলিয়া থাকে বক্ষে বক্ষে লীন ;
নক্ষত্র অসংখ্য থাকে সৌভ্রাত্রবন্ধনে —
এক সূর্য , এক শশী । মলিন কিরণে
দূর বন-অন্তরালে পাণ্ডুচন্দ্রলেখা
আজি অস্ত গেল , আজি কুরুসূর্য একা —
আজি আমি জয়ী!

Dhritarashtra: Petty Jealousy!
She is poisonous indeed!
Duryodhana: Jealousy is not petty! She is magnificent!
The religion of the great! Two forest giants do not
Grow within the same space, yet millions of blades
Of grass grow jostled side by side;
Numerous stars form a celestial brotherhood –
Yet there is but one sun and one moon
Today when the pale Pandava moon sets
Behind the distant forest,
Today the Kuru sun shines in glory –
Today I am victorious!

ধৃতরাষ্ট্র । আজি ধর্ম পরাজিত ।

দুর্যোধন । লোকধর্ম রাজধর্ম এক নহে পিতঃ!
লোকসমাজের মাঝে সমকক্ষ জন
সহায় সুহৃদ্‌-রূপে নির্ভর বন্ধন ।
Dhritarashtra: Truth lies vanquished today!

Duryodhana: The idea of Truth differs between the ruler
And the ruled;they live at peace with equals
in the bonds of friendship and mutual interest.

* The grandfather of the Kurus and the Pandavas was Krishna Dwaipayana Byasha. He fathered Dhritarashtra and Pandu with Ambika and Ambalika, the wives of Vichitravirya. After Vichitravirya’s death, his mother Satyavati ordered Byasa to produce heirs for the dynasty. Ambika was fearful of Byasa and closed her eyes when she was with him, thus her son, Dhritarashtra was born blind. Ambalika was pale with fear when she came to Byasa,, thus her son Pandu was born with a pale complexion. Dhritarashtra and Pandu fathered the hundred Kauravas and the five Pandavas respectively.

কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া/Kotobar bhebechinu apona bhuliya/

কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া            

তোমার চরণে দিব হৃদয় খুলিয়া।            

চরণে ধরিয়া তব কহিব প্রকাশি            

গোপনে তোমারে, সখা, কত ভালোবাসি।            

ভেবেছিনু কোথা তুমি স্বর্গের দেবতা,           

  কেমনে তোমারে কব প্রণয়ের কথা।            

ভেবেছিনু মনে মনে দূরে দূরে থাকি            

চিরজন্ম সঙ্গোপনে পূজিব একাকী–            

কেহ জানিবে না মোর গভীর প্রণয়,            

কেহ দেখিবে না মোর অশ্রুবারিচয়।            

আপনি আজিকে যবে শুধাইছ আসি,            

কেমনে প্রকাশি কব কত ভালোবাসি॥


Kotobar bhebechinu apona bhuliya

Tomar chorone dibo hridoy khuliya

Chorone dhoriya tobo kohibo prokashi

Gopone tomare, shokha, koto bhalobashi|

Bhebechinu kotha tumi swarger debota,

Kemone tomare kobo pronoyer katha|

Bhebechinu mone mone duure duure thaki

Chirojonmo shongopone puujibo ekaki –

Keho janibe na mor gobhir pronoy,

Keho dekhibe na mor ashrubarichoy|

Aponi ajike jobe shudhaicho ashi,

Kemone prokashi kobo koto bhalobashi||


Many a time have I thought of putting aside all my doubts

Many a time have I thought, of putting aside all my doubts

And disclosing my heart to you.

Of sitting at your feet in total surrender, crying out,

Dearest, I have loved you for so long, in secret!

But I looked upon you as so far beyond my reach,

I did not feel  my mere words of love could touch you.

Choosing instead to worship from afar

In the secret shrine of my mind, alone and for eternity.

No one would ever know of my deep adoration,

Or of the unseen tears that I have shed.

Today when you come seeking me on your own,

How do I find the right words to express what I have felt for so long?


January 28, 2012


Follow the links at: Swagatalakshmi Dasgupta in the Rabindrasangeet:

Johnny Cash with a country spin: Drink to Me With Thine Eyes:

Rudraprasad and Swatilekha Sengupta narrate: http://www.youtu.begtndfCfc_Xo

Lopamudra Mitra: http://www.youtu.bepKwzz9YAvuQ

সওগাত/ Saugaat /The Gift

পুজোর পরব কাছে। ভাণ্ডার নানা সামগ্রীতে ভরা। কত বেনারসি কাপড়, কত সোনার অলংকার; আর ভাণ্ড ভ’রে ক্ষীর দই, পাত্র ভ’রে মিষ্টান্ন।

মা সওগাত পাঠাচ্ছেন।

বড়োছেলে বিদেশে রাজসরকারে কাজ করে; মেজোছেলে সওদাগর, ঘরে থাকে না; আর-কয়টি ছেলে ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়া ক’রে পৃথক পৃথক বাড়ি করেছে; কুটুম্বরা আছে দেশে বিদেশে ছড়িয়ে।

কোলের ছেলেটি সদর দরজায় দাঁড়িয়ে সারা দিন ধরে দেখছে, ভারে ভারে সওগাত চলেছে, সারে সারে দাসদাসী, থালাগুলি রঙবেরঙের রুমালে ঢাকা।

দিন ফুরোল। সওগাত সব চলে গেল। দিনের শেষনৈবেদ্যের সোনার ডালি নিয়ে সূর্যাস্তের শেষ আভা নক্ষত্রলোকের পথে নিরুদ্দেশ হল।

ছেলে ঘরে ফিরে এসে মাকে বললে, “মা, সবাইকে তুই সওগাত দিলি, কেবল আমাকে না।”

মা হেসে বললেন, “সবাইকে সব দেওয়া হয়ে গেছে, এখন তোর জন্যে কী বাকি রইল এই দেখ্‌।”

এই বলে তার কপালে চুম্বন করলেন।

ছেলে কাঁদোকাঁদো সুরে বললে, “সওগাত পাব না? ”

“যখন দূরে যাবি তখন সওগাত পাবি।”

“আর, যখন কাছে থাকি তখন তোর হাতের জিনিস দিবি নে? ”

মা তাকে দু হাত বাড়িয়ে কোলে নিলেন; বললেন, “এই তো আমার হাতের জিনিস।”

The Gift

The festive season was nearing. The storerooms were full of gifts – fabrics woven with gold thread, golden ornaments, sweetmeats and much more.  The mother was preparing to send these away to the eldest son who worked in another country, and to his brother who was a merchant and was always travelling in other lands. Gifts were also going to the sons who, having quarreled with each other, had moved to live in separate houses, even to the kinsfolk who lived in other lands, both near and far.

The youngest child stood at the door watching all day, as maids carried away trays of gifts covered with colorful  cloth.

At the end of the day when the last tray was sent off, the sun spread a golden sheen on the day before setting off on its own celestial journey.

The child entered the house and said to his mother,’You gave gifts to every one but me.’

His mother smiled and said,’All the gifts are gone, look at what I have left!’

She then kissed his forehead.

The tearful child said,’Will I not get a gift?’

‘You will, when you go away.’

‘So, you will give me nothing of your own while I am with you?’

His mother reached for him with her arms and said,’This is what is my own!’

From Lipika


January 26, 2012

গান্ধারীর আবেদন/Gandhari’s supplication

গান্ধারীর আবেদন

দুর্যোধন । প্রণমি চরণে তাত!
ধৃতরাষ্ট্র ।                 ওরে দুরাশয় ,
অভীষ্ট হয়েছে সিদ্ধ ?
দুর্যোধন ।                লভিয়াছি জয় ।
ধৃতরাষ্ট্র । এখন হয়েছ সুখী ?
দুর্যোধন । হয়েছি বিজয়ী ।
ধৃতরাষ্ট্র । অখণ্ড রাজত্ব জিনি সুখ তোর কই
রে দুর্মতি ?
দুর্যোধন । সুখ চাহি নাই মহারাজ!
জয় , জয় চেয়েছিনু , জয়ী আমি আজ ।
ক্ষুদ্র সুখে ভরে নাকো ক্ষত্রিয়ের ক্ষুধা
কুরুপতি — দীপ্তজ্বালা অগ্নিঢালা সুধা
জয়রস , ঈর্ষাসিন্ধুমন্থনসঞ্জাত ,
সদ্য করিয়াছি পান ; সুখী নহি , তাত ,
অদ্য আমি জয়ী । পিতঃ , সুখে ছিনু , যবে
একত্রে আছিনু বদ্ধ পাণ্ডবে কৌরবে ,
কলঙ্ক যেমন থাকে শশাঙ্কের বুকে
কর্মহীন গর্বহীন দীপ্তিহীন সুখে ।
সুখে ছিনু , পাণ্ডবের গাণ্ডীবটঙ্কারে
শঙ্কাকুল শত্রুদল আসিত না দ্বারে ।
সুখে ছিনু , পাণ্ডবেরা জয়দৃপ্ত করে
ধরিত্রী দোহন করি’ ভ্রাতৃপ্রীতিভরে
দিত অংশ তার — নিত্য নব ভোগসুখে
আছিনু নিশ্চিন্তচিত্তে অনন্ত কৌতুকে ।
সুখে ছিনু , পাণ্ডবের জয়ধ্বনি যবে
হানিত কৌরবকর্ণ প্রতিধ্বনিরবে ।
পাণ্ডবের যশোবিম্ব-প্রতিবিম্ব আসি
উজ্জ্বল অঙ্গুলি দিয়া দিত পরকাশি
মলিন কৌরবকক্ষ । সুখে ছিনু , পিতঃ ,
আপনার সর্বতেজ করি নির্বাপিত
পাণ্ডবগৌরবতলে স্নিগ্ধশান্তরূপে ,
হেমন্তের ভেক যথা জড়ত্বের কূপে ।
আজি পাণ্ডুপুত্রগণে পরাভব বহি
বনে যায় চলি — আজ আমি সুখী নহি ,
আজ আমি জয়ী ।

This is a poem that was dedicated by Rabindranath Tagore to Radhakishore Devmanikya, the King of the Principality of Tripura, in 1900.

The poem takes the form of a conversation between Dhritarashtra, the blind patriarch of the Kurus, Duryodhana his eldest son and Gandhari, his queen and Duryodhana’s mother. After defeating the Pandavas in a false game of dice, Duryodhana is telling his father about his victory. Dhritarashtra rebukes him, saying the game was wrong. Duryodhana gives a powerful reply to his father, saying that for him, victory over arch enemies, the Pandavas is preferable to happiness and honour.

Gandhari’s Supplication

Dhritarashtra: Dh

Duryodhana: D

D:   I pay you my respects, Oh Father!

Dh:              Oh Wicked One,

Have you achieved your aim?

D:   I have achieved supremacy.

Dh:                  Are you now happy?

D:   I am victorious.

Dh:   Where is the happiness in winning this undivided kingdom?

D:                      I did not ask for happiness!

Victory, victory was my objective and I have achieved that!

Inconsequential moments of happiness do not satisfy the warrior’s hunger,

O  Leader of the Kurus – the fierce taste of victory

Churned from the oceans of my jealous mind!

This I have drunk!

Happy? No, Father, today I have gained ascendancy.

Father, I was happy, when we remained confined with the Pandavas,

As though a blemish upon the fair face of the moon

In idle, impotent placidity.

I was happy, when the thunder of the Pandava bows

kept anxious enemies from my door

I was happy, when the Pandavas brought the wealth of their conquered domains to us

sharing them in brotherly affection,

The days passed in entertainment and humor.

I was happy, the praise of the Pandavas daily echoing in my ears,

The reflected brilliance of the Pandava exploits making more apparent

What we Kauravas lacked.

I was happy, all pride extinguished, to live in the shadow of Pandava glory

as a toad lying undisturbed in the gloom of a well.

Today, when the vanquished Pandavas leave for their forest exile,

I am not happy, today I am SUPREME.

কাল রাতের বেলা গান এলো মোর মনে/Kal Rater Bela Gan Elo Mor Mone/

কাল   রাতের বেলা গান এলো মোর মনে,
তখন তুমি ছিলে না মোর সনে ॥
যে কথাটি বলব তোমায় ব’লে     কাটল জীবন নীরব চোখের জলে
সেই কথাটি সুরের হোমানলে     উঠল জ্বলে একটি আঁধার ক্ষণে–
তখন তুমি ছিলেনা মোর সনে ॥
ভেবেছিলেম আজকে সকাল হলে
সেই কথাটি তোমায় যাব বলে ।
ফুলের উদাস সুবাস বেড়ায় ঘুরে,  পাখির গানে আকাশ গেল পূরে,
সেই কথাটি লাগল না সেই সুরে   যতই প্রয়াস করি পরানপণে–
যখন তুমি আছ আমার সনে ॥

Kāl rāter belā gān elo mor mone,

Tokhon tumi chile nā mor shone||

Je kathāti bolbo tomāy bole   kātlo jibon neerob chokher jole

Shei kathāti shurer homānoley     uthlo jwole ekti āndhār khone-

Tokhon tumi chile nā mor shone||

Bhebechilām ajke shokāl hole

Shei kathāti tomāy jābo bole|

Phooler udāsh subāsh berāy ghure,  pākhir gāne ākāsh gelo puure,

Shei kathāti lāglo nā shei shure     jotoi proyāsh kori porānpone-

Jokhon tumi achcho amar shone||

The Song That Came To Me Last Night

The words of a song came to me last night

While you were not with me||

They were the very words I had silenced,  with tears all my life

They drew courage from the sacred flame of song that burns in my heart,

Alas, you were not with me to hear them||

I thought I would sing my song to you by morning light

Flowers perfumed the air, birdsong filled the skies

Yet I could not sing to that tune, I do not know what words to say

Now, that finally, you are here with me||


January 24, 2012

Follow the links

Ritu Guha

Rezwana Choudhury Bannya

মনে রবে কি না রবে আমারে সে আমার মনে নাই /Mone Robe Kina Robe Amare/I Care not, I Care Not If You remember me later

মনে রবে কি না রবে আমারে সে আমার মনে নাই ।
ক্ষণে ক্ষণে আসি তব দুয়ারে, অকারণে গান গাই ॥
চলে যায় দিন, যতখন আছি পথে যেতে যদি আসি কাছাকাছি
তোমার মুখের চকিত সুখের হাসি দেখিতে যে চাই–
তাই অকারণে গান গাই ॥
ফাগুনের ফুল যায় ঝরিয়া ফাগুনের অবসানে–
ক্ষণিকের মুঠি দেয় ভরিয়া, আর কিছু নাহি জানে ।
ফুরাইবে দিন, আলো হবে ক্ষীণ, গান সারা হবে, থেমে যাবে বীন,
যতখন থাকি ভরে দিবে না কি এ খেলারই ভেলাটাই–
তাই অকারণে গান গাই ॥

Mone robe kina robe amāre shey amār mone nāi|
Khone khone āshi tobo duāre, akārone gān gāi||
Chole jāy din dotokhon āchi pothe jetey jodi āshi kāchākāchi
Tomār mukher chokito shukher hāshi dekhitey je chāi-
Tai akārone gān gāi||
Phāguner phool jāi jhoriyā phāguner aboshāne-
Khoniker muthi dei bhoriyā āār kichu nāhi jāne|
Phurāibe din, ālo hobe kheen, gān shārā hobe go, themey jābe been,
Jotokhon thāki bhorey debe nāki e khelār i bhelātāi –
Tāi akārone gān gāi||

I care not, I care not if you remember me later

I care not, I care not if you remember me later

For now I will sing for you, though it seems without reason||

If by chance, life’s journey should bring us close together

I want to see your face light up with sudden pleasure-

That is why I sing this song||

Spring blossom fades at season’s draw-

Having filled the fleeting need of the hour,

This day will pass, its light grow dim, songs will cease, and silenced the music be

As long as we are here, we will fill this ship of dreams

That is why I sing this song||


January 23, 2012

Follow the links:

Hemanta Mukherjee at http://www.youtu.be1MrLjeJXK6g

Monjur Hamid at http://www.youtu.bejNSZsO1wzRE

আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাই নি/Amar Hiyar Majhe Lukiye Chile/You Remained Hidden In My Soul

আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে       দেখতে আমি পাই নি।
তোমায় দেখতে আমি পাই নি।
বাহির-পানে চোখ মেলেছি,         আমার হৃদয়-পানে চাই নি॥
আমার সকল ভালোবাসায়      সকল আঘাত সকল আশায়
তুমি ছিলে আমার কাছে,         তোমার কাছে যাই নি॥
তুমি মোর আনন্দ হয়ে ছিলে আমার খেলায়–
আনন্দে তাই ভুলেছিলেম,       কেটেছে দিন হেলায়।
গোপন রহি গভীর প্রাণে       আমার দু:খসুখের গানে
সুর দিয়েছ তুমি,              আমি তোমার গান তো গাই নি॥
Amār hiyār mājhe lukiye chile dekhtey āmi pāi ni|

Tomāy dekhtey āmi pāi ni|

Bāhir-pāne chokh melechi, āmār hridoy-pāne chāi ni||

Amār shokol bhālobāshāy shokol āghāt shokol āshāy

Tumi chile āmār kāche tomār kāche jāi ni||

Tumi mor ānondo hoye chile āmār khelāy-

Anonde tāi bhulechilām keteche din helāy|

Gopon rohi gobheer prāne āmār dukkho shukher gāne

Shur diyecho tumi, āmi tomār gān to gāi ni|

You Remained Hidden In My Soul

You remained hidden in my soul away from my view

By casting my eyes outward, I never looked in myself

In all my love, my despair and my hope

You were always within me yet I never sought you

You were my companion through my hours of play

That is why my days passed in unclouded bliss

As you stayed unseen in my heart you gave music to my songs

In happiness and in pain

Yet I never thought to sing in your praise

January 22, 2012

Follow the links at
Rejwana Chowdhury Bonnya:
Sraboni Sen:

ছেলেবেলা / Chelebela / My childhood

আমি জন্ম নিয়েছিলুম সেকেলে কলকাতায় । শহরে শ্যাকরাগাড়ি ছুটছে তখন ছড়্‌ছড়্‌ করে ধুলো উড়িয়ে , দড়ির চাবুক পড়ছে হাড়-বের করা ঘোড়ার পিঠে । না ছিল ট্রাম , না ছিল বাস , না ছিল মোটরগাড়ি । তখন কাজের এত বেশি হাঁসফাঁসানি ছিল না , রয়ে বসে দিন চলত । বাবুরা আপিসে যেতেন কষে তামাক টেনে নিয়ে পান চিবতে চিবতে , কেউ বা পালকি চড়ে কেউ বা ভাগের গাড়িতে । যাঁরা ছিলেন টাকাওয়ালা তাঁদের গাড়ি ছিল তকমা-আঁকা , চামড়ার আধঘোমটাওয়ালা , কোচবাক্সে কোচমান বসত মাথায় পাগড়ি হেলিয়ে , দুই দুই সইস থাকত পিছনে , কোমরে চামর বাঁধা , হেঁইয়ো শব্দে চমক লাগিয়ে দিত পায়ে-চলতি মানুষকে।

I was born in the Kolkata of a forgotten era. Horse drawn carriages filled the roads, raising dust, rope whips goading the emaciated beasts into motion. There were no trams, buses or cars. The days passed unhurriedly; work did not consume every waking hour. The men went to work, chewing paan and after a leisurely draw on their hookahs. Some went by palanquin, others took a ride in a shared carriage. The carriages of the wealthy had coats of arms, canopies of leather and liveried coachmen fore and aft, their sudden warnings startling the pedestrians into alertness.

মেয়েদের বাইরে যাওয়া-আসা ছিল দরজাবন্ধ পালকির হাঁপধরানো অন্ধকারে,গাড়ি চড়তে ছিল ভারি লজ্জা।রোদবৃষ্টিতে মাথায় ছাতা উঠত না। কোনো মেয়ের গায়ে সেমিজ,পায়ে জুতো,দেখলে সেটাকে বলত মেমসাহেবি;তার মানে,লজ্জাশরমের মাথা খাওয়া । কোনো মেয়ে যদি হঠাৎ পড়ত পরপুরুষের সামনে , ফস্‌ করে তার ঘোমটা নামত নাকের ডগা পেরিয়ে , জিভ কেটে চট্‌ করে দাঁড়াত সে পিঠ ফিরিয়ে । ঘরে যেমন তাদের দরজা বন্ধ , তেমনি বাইরে বেরবার পালকিতেও ; বড়োমানুষের ঝিবউদের পালকির উপরে আরও একটা ঢাকা চাপা থাকত মোটা ঘেটাটোপের , দেখতে হত যেন চলতি গোরস্থান । পাশে পাশে চলত পিতলে-বাঁধানো লাঠি হাতে দারোয়ানজি । ওদের কাজ ছিল দেউড়িতে বসে বাড়ি আগলানো , দাড়ি চোমরানো , ব্যাঙ্কে টাকা আর কুটুমবাড়িতে মেয়েদের পৌঁছিয়ে দেওয়া , আর পার্বণের দিনে গিন্নিকে বন্ধ পালকি-সুদ্ধ গঙ্গায় ডুবিয়ে আনা ।

Women travelled outside their homes in the suffocating dimness of a palanquin; riding in carriages was quite shameful for them. They never used umbrellas in sun or rain. If a woman was ever seen wearing a chemise or shoes, she was called a memsahib, indicating a complete lack of decorum on her part. If a woman met an unfamiliar man, she bit her tongue, pulled her veil down past her nose and turned away quickly. For them, at home and on the road, the doors were barred to the outside world. The women of the wealthy households had an additional privacy screen added to their palanquins, making them look like moving coffins. Alongside walked guards carrying brass tipped canes. Their function was to guard the gates of the houses, tend their beards, deposit money in the banks and take women to visit relations. They also had the responsibility to take the matriarch for a dip in the Ganges, palanquin and all, where she remained hidden from the prying eyes of the public.

দরজায় ফেরিওয়ালা আসত বাক্স সাজিয়ে , তাতে শিউনন্দনেরও কিছু মুনাফা থাকত । আর ছিল ভাড়াটে গাড়ির গাড়োয়ান , বখরা নিয়ে বনিয়ে থাকতে যে নারাজ হত সে দেউড়ির সামনে বাধিয়ে দিত বিষম ঝগড়া । আমাদের পালোয়ান জমাদার শোভারাম থেকে থেকে বাঁও কষত , মুগুর ভাঁজত মস্ত ওজনের , বসে বসে সিদ্ধি ঘুঁটত , কখনো বা কাঁচা শাক-সুদ্ধ মুলো খেত আরামে আর আমরা তার কানের কাছে চীৎকার করে উঠতুম ‘ রাধাকৃষ্ণ ‘ সে যতই হাঁ হাঁ করে দু হাত তুলত আমাদের জেদ ততই বেড়ে উঠত । ইষ্টদেবতার নাম শোনবার জন্যে ঐ ছিল তার ফন্দি ।

Vendors came to the door; our gatekeeper Shivnandan got a small profit out of these men. The others he dealt with were the carriage drivers, frequently picking loud quarrels with them over fares. Our security guard Shovaram did his exercises, lifted weights, made himself cannabis tonic, and happily ate raw radishes. We tried to disturb his calm by shouting “Radha Krishna” in his ear. The more he covered his ears, the more we shouted, not realizing that this was his way of hearing the name of his treasured deities.

Original Bengali from:

চিরসখা, ছেড়ো না মোরে ছেড়ো না/Chiroshokha CheRo Na/ O

চিরসখা, ছেড়ো না মোরে ছেড়ো না।
সংসারগহনে নির্ভয়নির্ভর, নির্জনসজনে সঙ্গে রহো॥
অধনের হও ধন, অনাথের নাথ হও হে, অবলের বল।
জরাভারাতুরে নবীন করো ওহে সুধাসাগর॥


Chiroshokhā, cheRo nā morey cheRo nā.

Shongshārogohone nirbhoynirbhor, nirjonshojone shonge raho.

Adhaner hou dhon, anāther nāth hou he, aboler bol.

Jorabhārāture nobeen koro ohe shudhāsāgar.


O Eternal Companion

O Eternal Companion, do not desert me, do not leave me

In life, remain fearless and everdependable,

In multitude or solitude, abide with me

Wealth for the needy, shelter for the forsaken, strength to those without defence,

You bring renewal to the ravages of this mortal coil

Follow the links:

Rajeshwari Dutta :

Kanika Banerjee: